- Get link
- X
- Other Apps
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
নামায মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আজ আমরা নামাযের বিভিন্ন মাসালা ও দোয়া সমূহ নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।
যে সকল কারনে নামায ভঙ্গ হয়
যে সকল কাজ দ্বারা নামায নষ্ট হয়, তাহাকে “মোফছেদাতে নামাজ” বলে। ঐরূপ কাজ করিলে নামায পুনরায় পড়িতে হয়। যেমনঃ-
১) নামাযের মধ্যে আজান্তে, ভ্রমে, ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কথাবার্তা বলা।
২) কাহাকেও ছালাম করা।
৩) ছালামের উত্তর দেওয়া।
৪) উঃ আঃ শব্দ করা।
৫) বেদনা অথবা শোকে শব্দ করিয়া ক্রন্দন করা।
৬) বিনা ওজরে কান্না।
৭) নামাযের কোন ফরয ত্যাগ করা।
৮) ছতরের একচতুর্থাংশ পর্যন্ত কাপড় আলগা হইয়া যাওয়া।
৯) কোরান শরীফ খুলিয়া পড়া।
১০) নাপাক স্থানে সেজদা করা।
১১) হাচির উত্তরে “ইয়ারহামুকুমুল্লাহ” বলা।
১২) পানাহার করা।
১৩) প্রত্যেক রোকনে দুইবারে অতিরিক্ত চুলকান।
১৪) সুসংবাদে “আলহামদুলি্লল্লাহ” এবং দুঃসংবাদে “ইন্নালিল্লা” পড়া।
১৫) ইমামের পূর্বে মোক্তাদির কোন রোকন আদায় করা।
১৬) নামাযের মধ্যে অতিরিক্ত কাজ করা।
১) নামাযের মধ্যে আজান্তে, ভ্রমে, ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কথাবার্তা বলা।
২) কাহাকেও ছালাম করা।
৩) ছালামের উত্তর দেওয়া।
৪) উঃ আঃ শব্দ করা।
৫) বেদনা অথবা শোকে শব্দ করিয়া ক্রন্দন করা।
৬) বিনা ওজরে কান্না।
৭) নামাযের কোন ফরয ত্যাগ করা।
৮) ছতরের একচতুর্থাংশ পর্যন্ত কাপড় আলগা হইয়া যাওয়া।
৯) কোরান শরীফ খুলিয়া পড়া।
১০) নাপাক স্থানে সেজদা করা।
১১) হাচির উত্তরে “ইয়ারহামুকুমুল্লাহ” বলা।
১২) পানাহার করা।
১৩) প্রত্যেক রোকনে দুইবারে অতিরিক্ত চুলকান।
১৪) সুসংবাদে “আলহামদুলি্লল্লাহ” এবং দুঃসংবাদে “ইন্নালিল্লা” পড়া।
১৫) ইমামের পূর্বে মোক্তাদির কোন রোকন আদায় করা।
১৬) নামাযের মধ্যে অতিরিক্ত কাজ করা।
নামাযের ওয়াজিব সমূহ
নামাযের মধ্যে যে সকল ওয়াজিব আছে, ইহা থেকে কোন একটিও ভুল বশতঃ ছাড়িয়া দিলে শেষ বৈঠকে ছিজদায়ে সাহু দিতে হবে।
১) প্রত্যেক রাকাতে প্রথম সূরাহ ফাতিহা পাঠ করা।
২) সূরাহ্ ফাতিহার পর অন্য একটি সূরাহ মিলাইয়া পড়া (বড় এক আয়াত বা ছোট তিনি আয়াত)
৩) পরপর নামাযের রোকন গুলি সম্পন্ন করা অর্থাৎ প্রত্যেক রুকু সিজদা করা এবং তার-তিবের প্রতি লক্ষ্য রাখা।
৪) প্রথম বৈঠক।
৫) আত্তাহিয়্যাতু পড়া।
৬) নামাযান্তে ছালাম ফিরান।
৭) দুই ঈদের নামাযে অতিরিক্ত ছয় তাকবীর বলা।
৮) ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকআতে, ছুন্নত ও নফল নামাযে সকল রাকআআতে সূরা ফাতিহার সহিত অন্য একটি সূরা পড়া।
৯) নামাযের রোকনগুলি আস্তে আস্তে আদায় করা।
১০) যে নামায উচ্চঃস্বরে পড়িতে হয়, তাহা উচ্চঃস্বরে পড়া এবং যাহা আস্তে আস্তে পড়িতে হয় তাহা আস্তে আস্তে পড়া।
১) প্রত্যেক রাকাতে প্রথম সূরাহ ফাতিহা পাঠ করা।
২) সূরাহ্ ফাতিহার পর অন্য একটি সূরাহ মিলাইয়া পড়া (বড় এক আয়াত বা ছোট তিনি আয়াত)
৩) পরপর নামাযের রোকন গুলি সম্পন্ন করা অর্থাৎ প্রত্যেক রুকু সিজদা করা এবং তার-তিবের প্রতি লক্ষ্য রাখা।
৪) প্রথম বৈঠক।
৫) আত্তাহিয়্যাতু পড়া।
৬) নামাযান্তে ছালাম ফিরান।
৭) দুই ঈদের নামাযে অতিরিক্ত ছয় তাকবীর বলা।
৮) ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকআতে, ছুন্নত ও নফল নামাযে সকল রাকআআতে সূরা ফাতিহার সহিত অন্য একটি সূরা পড়া।
৯) নামাযের রোকনগুলি আস্তে আস্তে আদায় করা।
১০) যে নামায উচ্চঃস্বরে পড়িতে হয়, তাহা উচ্চঃস্বরে পড়া এবং যাহা আস্তে আস্তে পড়িতে হয় তাহা আস্তে আস্তে পড়া।
জায়নামাযে দাঁড়াইয়া পড়িবার দো’আ
اِنِّىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَالسَّمَوَتِ وَاْلاَرْضَ حَنِيْفَاوَّمَااَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ
উচ্চারণঃ ইন্নি ওয়াজ্জাহাতু ওজহিয়া লিল্লাযী ফাতারাচ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানিফাঁও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন।অনুবাদ: নিশ্চই আমি তাঁহার দিকে মুখ ফিরাইলাম, যিনি আসমান জমিন সৃষ্টি করিয়াছেন। আমি মুশরিকদিগের দলভুক্ত নহি।
আত্তাহিয়াতু
اَلتَّحِيَّاتُ لِلهِ وَالصَّلَوَاةِ وَالطَّيِّبَاتُ اَلسَّلاَمُ عَلَيْكَ اَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُه‘ – اَلسَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّا لِحِيْنَ – اَشْهَدُ اَنْ لاَّ اِلَهَ اِلاَّ اللهُ وَاَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدً عَبْدُه‘ وَرَسَوْلُه‘
উচ্চারন: আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি
ওয়াস সালাওয়াতু ওয়াত্তায়্যেবাতু আস্-সালামু আলাইকা আইয়ু্যহান্নাবীয়ু্য ওয়া
রামাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, আস্-সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস
সালিহীন। আশহাদু আল-লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান
আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।
অনুবাদ: জান এবং মাল সর্বপ্রকার ইবাদতই আল্লাহর জন্য। হে পয়গাম্বর, আপনার উপর আল্লাহর কৃপা, বরকত এবং শান্তি বর্ষিত হইক। আমাদের উপর এবং আল্লাহর পূণ্যবান বান্দাগণের উপর শান্তি
বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কেহ উপাস্য নাই। আমি
আরও সাক্ষ্য দিতেছি যে, নিশ্চই মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম)
তাঁহার বান্দা ও রাসূল।
দুরূদ শরীফ
اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى اَلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى اِبْرَ اهِيْمَ وَعَلَى اَلِ اِبْرَ اهِيْمَ اِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ
اَللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى اَلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى اِبْرَ اهِيْمَ وَعَلَى اَلِ اِبْرَاهِيْمَ اِنَّكَ حَمِيْدٌمَّجِيْدٌ
উচ্চারনঃ আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা
মুহাম্মাদিঁ ওয়া আলা আলি মুম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা
আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামিদুম্মাজীদ । আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিঁ
ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহীমা
ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ ।
অনুবাদঃ যে আল্লাহ! মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর ঐরূপ আশীর্বাদ অবতীর্ণ কর যেইরূপ আর্শীবাদ হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর অবতীর্ণ করিয়াছ । নিশ্চই তুমি প্রশংসা ভাজন এবং মহামহিম । হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু
আলাইহে ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর সেইরূপ অনুগ্রহ কর যে রূপ
অনুগ্রহ ইব্রাহীম (আঃ) এবং তাঁহার বংশরগণের উপর করিয়াছ । নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসা ভাজন এবং মহামহিম ।
দোয়ায়ে মাসুরা
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِىْ وَلِوَ الِدَىَّ وَلِمَنْ تَوَالَّدَ وَلِجَمِيْعِ الْمُؤْ مِنِيْنَ وَالْمُؤْ مِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَالاْاَحْيَاءِ مِنْهُمْ وَالْاَمُوْ اَتْ بِرَحْمَتِكَ يَااَرْحَمَرَّحِمِيْنَ
উচ্চারনঃ আল্লাহুমাগ ফিরলী ওয়ালি
ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিমান তাওয়াল্লাদা ওয়ালি জামীঈল, মু’মিনীনা ওয়াল মুমিনাত,
ওয়াল মুসলিমীনা ওয়াল মুসলিমাত, ওয়াল আহ্ইয়ায়ি মিনহুম ওয়াল আমুয়াত,
বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।
অনুবাদঃ হে পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালা! আমাকে, আমার পিতা মাতাকে, সন্তান-সন্ততিকে, সমস্ত মু’মিন পুরুষ ও নারীকে এবং জীবিত মৃত সমস্ত মুসলিম নর-নারীকে ক্ষমা কর।
দোয়া কুনুত
اَللَّهُمَّ اِنَّ نَسْتَعِيْنُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ-اَللَّهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَاِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ اِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না
নাসতাঈনুকা ওয়া নাসতাগ ফিরুকা ওয়ানুমিনু বিকা ওয়ানাতাওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া
নুছনী আলাইকাল খাইর। ওয়া নাসকুরুকা আলা নাক ফুরুকা ওয়ানাখলাউ উয়ানাত রুকু
মাইয়্যাফযুরুকা। আল্লাহুম্মা ইয়্যাকানা বুদু ওয়ালাকা নুছালি্ল ওয়া নাস জুদু
ওয়া ইলাইকা নাসয়া ওয়া নাহফিদু ওয়া নারজু রাহমাতাকা ওয়া নাখশা আজাবাকা
ইন্না আজাবাকা বিলকুফফারি মূলহিক।
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি, তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করিতেছি, তোমার ভরসা করিতেছি। তোমার নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করিতেছি, তোমার উপর ঈমান আনিতেছি, তোমার ভরসা করিতেছি তোমার গুণগান করিতেছি এবং তোমারই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করিতেছি। আমরা তোমাকে অস্বীকার করি না। যাহারা তোমার হুকুম অমান্য করে তাহাদের সঙ্গে আমরা সংশ্রব সংসগ্র পরিত্যাগ করি। হে আল্লাহ! আমরা তোমারই ইবাদত করি, তোমারই খেদমতে হাজির হই এবং তোমার রহমতের আশা করি ও তোমার শাস্তিকে ভয় করি। নিশ্চই তোমার আজাব অবিশ্বাসিগণ ভোগ করিবে।
নামাযের নিষিদ্ধ সময়
সূর্যোদয়ের সময়, ঠিক দ্বিপ্রহর এবং সূর্যাস্তের সময় যে কোন নামায পড়া, সিজদার তেলাওয়াত করা জায়েয নাই। যদি আছরের
নামায না পড়িয়া থাকে তবে শুধু মাত্র ঐ দিনকার আছরের নামায সূর্যাস্তের সময়
পড়িতে পারিবে । তবে উহাও মাকরূহ তাহারীমির সাথে আদায় হইবে ।
সুন্নত ও নফল নামাযের নিষিদ্ধ সময়
১) ফজরের সময় হইলে ফজরের সুন্নত দুই রাকাআত ছাড়া অন্য কোন সুন্নত বা নফল পড়া।
২) সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামায পড়ার পূর্ব পর্যন্ত ।
৩) উভয় ঈদের নামায পড়া পর্যন্ত। এই সমস্ত সময় নামায পড়া মাকরূহ । কাযা, জানাযা নামায, সিজদায়ে তেলাওয়াত করা জায়েয আছে ।
৪) ফরয নামাযের ইক্বামত বা জামাতের সময় ও সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।
৫) নামাযের সময় সংকীর্ণ হইলে ওয়াক্তিয়া ফরয ব্যতীত অন্য যে কোন নামায পড়া মাকরূহ । জুমআর খুৎবার জন্য ইমাম মিম্বরে দাঁড়াইলেই সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।
সুন্নত ও নফল নামাযের নিষিদ্ধ সময়
১) ফজরের সময় হইলে ফজরের সুন্নত দুই রাকাআত ছাড়া অন্য কোন সুন্নত বা নফল পড়া।
২) সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামায পড়ার পূর্ব পর্যন্ত ।
৩) উভয় ঈদের নামায পড়া পর্যন্ত। এই সমস্ত সময় নামায পড়া মাকরূহ । কাযা, জানাযা নামায, সিজদায়ে তেলাওয়াত করা জায়েয আছে ।
৪) ফরয নামাযের ইক্বামত বা জামাতের সময় ও সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।
৫) নামাযের সময় সংকীর্ণ হইলে ওয়াক্তিয়া ফরয ব্যতীত অন্য যে কোন নামায পড়া মাকরূহ । জুমআর খুৎবার জন্য ইমাম মিম্বরে দাঁড়াইলেই সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।
লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভূলবেন না।
- Get link
- X
- Other Apps

Comments
Post a Comment